Primary Teacher Recruitment : প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ মামলায় নতুন রায় সুপ্রিম কোর্টের, জমা দিতে হবে নিয়োগের হলফনামা, জানুন বিস্তারিত

Primary Teacher Recruitment : প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ (Primary Teacher Recruitment) মামলায় নতুন রায় সুপ্রিম কোর্টের, জমা দিতে হবে নিয়োগের হলফনামা, জানুন বিস্তারিতশিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নয়া নির্দেশিকাকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে হলাফনামা চাইল সুপ্রিম কোর্ট। বিস্তারিত ভাবে সেই হলফনামা দিতে বলা হয়েছে। সম্পূর্ণ বিষয় জানিয়ে আগামী সোমবারের মধ্যে শীর্ষ আদালতে হলফনামা জমা দেবে পর্ষদ। আগামী সোমবার হতে চলেছে পরবর্তী শুনানি। শুনানির দিন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

Primary Teacher Recruitment-এ নতুন রায় সুপ্রিম কোর্টের

১১৭৬৫ টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের (Primary Teacher Recruitment) নির্দেশ হলফনামায় স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে। কিভাবে তৈরি করা হবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা, এছাড়াও হলফনামায় বিশদে বিবরণ থাকতে হবে ২০২০-২২ শিক্ষাবর্ষের ডি এল এড ছাত্রছাত্রীদের নিয়োগের প্রসঙ্গ, নতুন শূন্য পদ সংযোজনের ক্ষেত্রেও সেগুলির বিশদ বিবরণ থাকতে হবে হলফনামায়। গত বছর থেকেই প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদ ঘোষণা করে ১১ হাজার ৫০০ পদে নিয়োগের কথা। সেই মতো নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু হয়।

মনোনীত প্রার্থীদের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়াও শেষ করে পর্ষদ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা স্থগিত হয়ে যায় আদালতের শুনানিতে। একাধিকবার মামলার শুনানিতে স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ২৮ শে জুলাই বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চ নির্দেশ দেয় আদালতের অনুমতি ছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার মেধা তালিকা প্রকাশ করতে পারবে না বোর্ড। একমাত্র বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় অনুমোদন দিয়েছিলেন প্রশিক্ষণরত d.el.e d প্রার্থীদের ও এই কোর্সের প্রথম বর্ষের প্রার্থীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

পরবর্তীকালে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুমোদনকেও খারিজ করে দেয় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতির সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের বিষয়ে আমরা সকলেই জানি। তাঁর হস্তক্ষেপেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে চরম দুর্নীতির কথা সামনে এসেছিল। তিনি সত্যের কান্ডারী বলে বারবারই তাঁকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এক্ষেত্রেও তেমনি ঘটেছে। শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক যে চরম অরাজকতা চলছে তাতে প্রতিনিয়ত বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে আমাদের রাজ্যে। খুব শীঘ্রই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করলে আমাদের রাজ্য বেকারত্বে প্রথম স্থান অধিকার করবে।আগামী দিন শিক্ষিত বেকারে ছেয়ে যাবে।

Leave a Comment

JoinJoin